Android Apps


...রসুল [ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]বলেছেন, 'নিশ্চই কিয়ামতের আলামতের মধ্য থেকে অন্যতম আলামত হচ্ছে সুদের প্রসার লাভ করবে।- বুখারী, কিতাবুল বুযু অধ্যায়।

পীরতন্ত্র, পীরতন্ত্রের শীর্ক, pir, pirtonro


আজকে আমরা কলম ধরলাম আমাদের সমাজের এক বহু প্রচলিত ভ্রান্তির বিরুদ্ধে, যার নাম পীর প্রথা। এটি এমন এক ব্যাপার, যা দেখতে সাধারন হলেও ক্ষতিকর দিক ব্যাপক। আমরা জানি যে, আল্লাহ আমাদের দুনিয়াতে সকল প্রকার পাপই মাফ করবেন, শুধূমাত্র শিরক ব্যতীত [মৃত্যুর আগে মাফ বা তওবা না করলে]। সারা জীবনের আমলনামা যাই হোকনা কেন, একটি শিরকের বিশ্বাস স্থাপনের কারনে সবই ভেস্তে যেতে পারে।
আল্লাহ বলেন:নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করার গুনাহ ক্ষমা করেন না, তা ব্যতীত যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন।[সুরা নিসা:৪৮]
পীরতন্ত্র এমন এক তন্ত্র যা আল্লাহভীত লোকদেরকে ইসলামের রাস্তা বলে এমন এক রাস্তায় নিয়ে যায়, যেখানে ইসলামের নামে শিরক থাকে, আর এখানে আল্লাহভীত লোকদেরকে এমনভাবেই মগজ ধোলাই করা হয় যে, তারা দ্বীনের নামে কোনটি সঠিক, কোনটি বেঠিক বিচারের সাহস হারিয়ে ফেলেন। অসহায়ের মতন তারা পীরকে ওস্তাদ মেনে নিয়ে আল্লাহর রাস্তা ছেড়ে পীর সাহেবের রাস্তায় চলতে খাকেন। অথচ দ্বীনের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, নিজেদের জ্ঞানকে কাজে লাগাতে বলা হয়েছে।
যেমন: তারা কোরআন নিয়ে কেন গবেষণা করেনা? তাদের অন্তরে কি তালা লেগে গেছে? [সূরা মুহাম্মদঃ৪]
সকলের কাছে বিনীত অনুরোধ, আমরা এখানে তাদের যেসব বই দিয়েছি,শুধুমাত্রই যাচাই-বাচাই করার নিমিত্তে,প্রমানের জন্য। এগুলো থেকে অনুগ্রহ করে শির্ক, বিদাত বেছে চলবেন, আমরা এগুলোর দায়ভার গ্রহন করিনা। আমরা আবারও বলছি, শুধুমাত্রই যাচাই-বাচাই করার নিমিত্তে এগুলো আপলোড হয়েছে। ধন্যবাদ।
: : : : আসুন আমরা কথা না বাড়িয়ে তথা কথিত হক্কানী পীরের লেখা বইটির নিরপেক্ষ পর্যালোচনা করব, আল কুরআনকে সর্বপ্রথমে রেখে,চির সত্য জেনে দেখী কুরআনের বিরুদ্ধে ও রাসুল [স:] এর হাসীদসমূহের বিরুদ্ধে কি বলে....


>> পীরতত্বের সমস্যা সম্পর্কে বুজতে হলে আগে যা জানতে হবে:


পীর ফকির ও ক্ববর পূজা কেন হারাম
* Pirfokir O kobor puja kenoharam
43 PAGE size : 2.68 mb





পাকা মাজার ও ওয়াসীলার তত্বসার
paka majar o wasilar tottosar
87 PAGE size : 4.7 mb




>> চরমোনাই তরীকা


আশেকে মাশুক বা এসকে এলাহী
Ashek mashuk ba eshke elahi
114 PAGE size : 3.52 mb





ভেদে মারেফত বা ইয়াদে খোদা
Vhede marefot ba yade Khoda
92 PAGE size : 3 mb





পৃষ্ঠা ৬, ...বেহেশতে যাইবার জন্য কেতাবে ১২৬ তরিকা বয়ান করিয়াছে। তন্মন্ধে চিশতিয়া ছাবেরিয়া তরিকা একবোরে শর্টকার্ট ...

আমাদের জানা নাই, কোন হাদীস বা আয়াত হতে তারা শর্টকার্ট ও ১২৬ টি তরিকা পেলেন, দ্বীন ইসলাম পরিপূর্ণ, তাই এতে শর্টকার্টে যাবার কোনই ব্যাপার নাই, পরিপূর্ণ বস্তুতে শর্টকাট বা কাটাছিড়া করলে সেটি আর প্রকৃত ব্সতু থাকেনা। ইসলামকে কাটাছিড়া করার অনুমতি কাউকে দেয়া হয়নি,
আল্লাহ বলেন : “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপুর্ন করে দিলাম, তোমাদের উপর আমার অনুগ্রহ সম্পন্ন করলাম।আর তোমাদের জন্য ইসলামকে দ্বীন হিসাবে মনোনীত করলাম”। (সুরা মায়েদা, আয়াত নং ৩)
পাশাপাশি দ্বীনের জন্য নতুন রাস্তা খোজা, পন্থা বের করা বিদাত ছাড়া আর কিছু নয়। যা আল্লাহর জন্যে রাসুল [স] তরীকায়, অনুসরনে করা হয় তাই ইবাদত। যদি রাসুল [স] সুন্নতকে, আদর্শকে বাদ দিয়ে নতুন কোন তরীকা, আকীদায় কাজ করা হয় তাকে বিদাত বলে। বিদাত মানে হল ধর্মের নামে নতুন কাজ, বেশী বুঝা, যা কিছুর প্রয়োজন নবীজি ও আল্লাহ মনে করেননি নিজেরা নিজেরা করা। হতে পারে সেটা দেখতে ভাল অথবা মন্দ। আর বিদাতের ব্যাপারে মুহম্মদ [স] এর সতর্কতা শুনুন : وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الأُمُوْرِ فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ) رواه أبو داود والترمذى وقال حديث حسن صحيح
“তোমরা (দ্বীনের) নব প্রচলিত বিষয়সমূহ থেকে সতর্ক থাক। কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয় বিদআ‘ত এবং প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা”।[সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৯৯১ ও সুনান আত-তিরমিযী, হাদীস নং ২৬৭৬, তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান ও সহীহ বলেছেন।]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াল্লাম তাঁর এক খুতবায় বলেছেন:
إِنَّ أَصْدَقَ الْحَدِيثِ كِتَابُ اللهِ وَأَحْسَنَ الْهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ وَشَرُّ الأُمُوْرِ مُحْدَثَاتُهَا وَكُلُّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ وَكُلُّ بِدْعَةٍ ضَلاَلَةٌ وَكُلُّ ضَلاَلَةٍ فِي النَّارِ. رواه مسلم والنسائى واللفظ للنسائى
“নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহ্‌র কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদআত এবং প্রত্যেক বিদআত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম।
সুত্রঃ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৫৩৫ ও সুনান আন-নাসায়ী, হাদীস নং ১৫৬০, হাদীসের শব্দ চয়ন নাসায়ী থেকে।

আরও বলেন: “যে কেউই আমাদের এই দ্বীনে নতুন কিছু উদ্ভাবন করবে যা এর কোন অংশ নয়, তবে তা প্রত্যাখ্যাত হবে।” (বুখারী ও মুসলিম)
পৃষ্ঠা ৬ লাইন ১৪, ... চক্ষু মুদিয়া জিকির শুরু করিবেন ...

আমরা এধরনের জিকিরের রেফারেন্স কোরআন, হাদীসের কোথাও পাই নাই, স্পষ্টতই এটাও দ্বীনের মাঝে নব আবিস্কার, যা বিদাত। সন্দেহ থাকলে বিদাতের সংজ্ঞাটা আবার দেখেনিতেপারেন।

পৃষ্ঠা ১১, ... পীরানে পীর দস্কগীর হযরত ...

দস্তগীর শব্দটি একটি শিরকীমূলক শব্দ, দস্তগীর মানে 'যে হাতকে ধরে রাখবে', অর্থাত, বিপদে আপনাকে যে হাত বাড়িয়ে দেবে, অথচ বিপদে সাহায্যকারী হিসেবে আল্লাহরই নাম আসার কথা।

পৃষ্ঠা ১১ লাইন ১১, ... এতবড় আলেমগনই যখন মুরীদ হওয়া ব্যতীত আল্লাহ পাকের মহব্বত অর্জন করিতে পারিলেন না, তখন আপনি আর আমি কি মুরিদ হওয়া ছাড়াই আল্লাহপাকের মহব্বত অর্জন করিতে পারিব? ...

আমরা দৃড়ভাবে এই মিথ্যাচারীতার প্রতিবাদ করছি, কেননা এটা একটা খাটি মিথ্যা কথা।,কেননা আল্লাহ নিজেই বলছেন,
...আর নি:সন্দেহে তোমার প্রভু লোকদের জন্য তাদের অন্যায় আচরন সত্বেও ক্ষমারঅধিকারী,আর নি:সন্দেহে তোমার প্রভু প্রতিফল দানে অতি কঠোর। সুরা আর-রাদ আয়াতঃ৬
হে ইমানদারগন!অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর নিকট খাঁটি মনে তওবা কর।তওবার ফলে আল্লাহ্‌ তোমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন এবং বেহেশতে দাখিল করবেন। সুরাঃতাহরীম আয়াতঃ৮
হে রাসূল আপনি আমার সে সব বান্দাদেরকে বলুন যারা নিজের উপর নিজেরাই অপরাধ করে সীমা অতিক্রম করেছে তারা যেন আলস্নাহর রহমত থেকে নিরাশ না হয় (যদি তারা কায়মনোবাক্যে, অনুতপ্ত হূদয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে তা হলে) নিশ্চয় আল্লাহ (ইচ্ছা করলে) সকল অপরাধ ক্ষমা করে দিতে পারেন। সুরা জুমার:৫৩
এবং তোমারা আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর।নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ পাক ক্ষমাশীল ও করুনাময়। সূরাঃমুযযাম্মিল:২০
নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তওবাকারীকে প্রতি করুণাময়।তওবাকবুল করা আল্লাহর দায়িত্ব উহা তো কেবল তাহদেরই জন্য যাহারা বোকামি করত কোন পাপ করিয়া ফেলে অতঃপর অবিলম্বে(মৃত্যু আসিবার পূর্বে) তওবা করে।সুতরাং এইরূপ লোকের তওবাই আল্লাহ্‌ কবুল করিয়া থাকেন।আল্লাহ মহাজ্ঞানী ও প্রজ্ঞাময়। সূরা নিসা আয়াতঃ১৭
কিন্তু যাহারা অপরাধ করার পর অনুতপ্ত হইয়া তওবা করে এবং সংশোধন করিয়া নেয় আর সত্য প্রকাশ করিয়া দেয় তবে তাহাদের তওবা আমি কবুল করি।আর আমি তওবা কবুলকারী এবং অনুগ্রহ করায় খুবই অভ্যস্ত। সূরা বাকারা আয়াতঃ১৬০
অনন্তর এইরূপ লোকের জন্য, যাহারা অজ্ঞতা ও মূর্খতা বশতঃ মন্দ কর্ম করিয়া ফেলে, পরে তওবা করে ও নিজের আমল সংশোধন করিয়া ফেলে, তবে নিশ্চয়ই তাহারা তওবার পর , আপনার প্রতিপালককে অতিশয় ক্ষমাশীল ও দয়ালু বলিয়া পাইবে। সূরা নহল : ১১৯
তাহারা কি অবগত নহে যে আল্লাহ্‌তায়ালা তাহার বান্দাদের তওবা অবশ্যই কবুল করিয়া থাকেন এবং দানসমূহ গ্রহন করিয়া থাকেন।আল্লাহতায়ালা নিশ্চয়ই তওবা কবুলকারী এবং দয়ালু।সুতরাং যে লোক খাঁটি মনে তওবা করে তাহার সমস্ত গুনাহ মাফ হয়,সে নিষ্পাপ লোকের মত হইয়া যায়। সূরা তওবা আয়াত : ১০৪

তাই, মুরীদ হওয়া ছাড়া মুক্তির উপায় নাই, এরুপ খাটি মিথ্যা কথার জন্যে পুনরায়,আমরা দৃড়ভাবে এই মিথ্যাচারীতার প্রতিবাদ করছি, কেননা এটা একটা খাটি মিথ্যা কথা।

পৃষ্ঠা ১১ শেষ প্যারা, ... আম্বিয়া আলাইহিমুচ্ছালাতু ওয়াচ্ছালাম দুনিয়াতে দুই প্রকারে এলেম রাখিয়া গিয়াছেন : এলমে ফেকাহ ও এলমে তাছাউফ ...

পুনরায়, এগুলো একেবারেই ভূল কথা। কেননা,
শেষ নবী রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বিদায় হজ্বের দিন বলেছেন যে,
"আজ আমি তোমাদের কাছে দুটি জিনিস রেখে গেলাম। যতদিন পর্যন্ত তোমরা এই দুটি জিনিস আঁকড়ে ধরে রাখবে ততদিন পর্যন্ত তোমরা পদভ্রষ্ট হবে না। এর একটি হল আল্লাহর বানী(কুরআন) এবং আরেকটি হলে আমার বক্তব্য(হাদিস)"।
ইয়াহইয়া ইবন বুকায়র [র] ... আনাস ইবন মালিক [রা] থেকৈ বর্নিত যে, দ্বিতীয় দিবসে যখন মুসলিমরা আবু বকর [রা] এর বায়আত গ্রহন করছিল এবং তিনি রাসুলুল্লাহ [সা] এর মিম্বরের উপর উপবিষ্ট ছিলেন;উমর [রা]কে আবু বকর [রা] এর পূর্বে হামদ ও ছানা ও কালেমা শাহাদাত পাঠ করতে তিনি [আনাস]শুনেছেন। তিনি বললেন, এরপর আল্লাহ তাআলা তার রাসুলের জন্য তোমাদের কাছে যা ছিল তার চেয়ে তার নিকট যা আছে সেটাকেই পছন্দ করেছেন। আর এই সেই কিতাব যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা তোমাদের রাসুল [সা] কে হেদায়েত করেছেন। সুতরাং একে তোমরা আকড়িয়ে ধর। তাহলে এর দ্বারা আল্লাহ তা রাসুল[স] কে যে হেদায়েত দান করেছিলেন তোমরাও সেই হেদায়েদ লাভ করবে। - বুখারী ১০ম খন্ড, হাদীস ৬৭৭৩। ইফাবা
মুসা ইবন ইসমাঈল [র]...ইবন আব্বাস [র] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী [সা] [তার দেহের সাথে] জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেন: হে আল্লাহ! একে কিতাবের জ্ঞান দান কর।- বুখারী ১০ম খন্ড, হাদীস ৬৭৭৪। ইফাবা
আদাম ইবন আবু ইয়াস [র]...আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ [রা] থেকে বর্নিত যে, সর্বত্তমকালাম হল আল্লাহর কিতাব, আর সর্বত্তম আদর্শ হল মুহাম্মদ [স] এর আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল কুসংস্কারসমূহ। তোমাদের কাছে যা ঘোষনা করা হচ্ছে তা বাস্তবায়িত হবেই, তোমরা ব্যর্থ করতে পারবে না(৬:১৩৪)- বুখারী ১০ম খন্ড, হাদীস ৬৭৮১। ইফাবা
আবু নুআয়ম [র] ....হুযায়ফা [রা] থেকৈ বর্নিত। তিনি বলেন, হে কুরআন পাঠকারী সমাজ! তোমরা (কুরআন ও সুন্নাহর উপর) সূদৃড় থাক। নিশ্চয়ই তোমরা অনেক পিছনে পড়ে আছ। আর যদি তোমরা (সিরাতে মুস্তাকিম খেকে সরে গিয়ে) ডান কিংবা বামের পথ অনুসরন কর তাহলে তোমরা (হেদায়েত থেকে) অনেক দূরে সরে যাবে।- বুখারী ১০ম খন্ড, হাদীস ৬৭৮৫। ইফাবা

সত্য কথা হল, এ দুটি জিনিসই আমাদের সহজ সরল পথ/সিরাতে মুস্তাকিমের গাইডলাইন। এগুলোর মাঝে কোন গোপন জ্ঞান বা মারেফতের নাম গন্ধই ছিলনা তখন, আর থাকাও অসম্ভব, কেননা আমরা সুরা মায়েদা আয়াত নং ৩ এ ইসলামকে পরিপূর্ন করার ঘোষনা পাই। পরিপূর্ন বিষয়ে কোন গোপনীয়তা থাকা মানে সেটা সবার কাছে পূর্নতা পাবেনা,আর তাহলে আল্লাহপাকের আয়াতটি মিথ্যা হয়ে যাবে, যা হবার নয়, কাজেই সত্য হল, মারেফত বা গোপনবিষয়গুলোই কুরআনের আয়াতের মিথ্যাচার। দলভারী করার আশায় এরকম খাটি মিথ্যাচারের মাধ্যমে কুরআনকে মিথ্যা ব্যাখা করার জন্যে আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

পৃষ্ঠা ১৫ ৩য় লাইন, ... পীর সাহেব কেবলা ...

আমাদের মুসলমানদের কেবলা, অর্থাত, নামাজ পড়ার দিককেই আমরা কিবলা বলে থাকি, যেদিকে ফিরে আমরা সালাতের মত গুরুত্বপূর্ন ইবাদত করে থাকি। অর্থাত এটাই সালাতের সময়কার অবস্থান নির্দেষ করে।
আল্লাহ বলেন :"হে নবী, যেখানেই আপনি বের হন, আপনার মুখমন্ডল (নামাজের সময়) কাবা শরীফের দিকে ফেরান। এটা নিশ্চয় আপনার প্রতিপালকের কাছ থেকে পাঠানো সত্য। (হে মুসলমানরা!) তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আল্লাহ উদাসীন নন। সুরা বাকারাহ:১৪৯।

কি যুক্তিতে পীর সাহেব কিবলা হতে পারেন[নাউযুবিল্লাহ], সেরকম যুক্তিপূর্ন ব্যাখা আমরা পাইনি। যদি ধরা হয় যে, পীর সাহেব কেবলা বলতে আদেশ নির্দেষ বা ডিরেকশনের দিক তার হতে আসবে তাই তাকে ইঙ্গিতে বোঝান হয়েছে, তাহলেও সেটা কোনভাবেই গ্রাহ্য নয়। কেননা, কোন মানুষই ইসলামের আদর্শের জন্যে কিবলাস্বরুপ হতে পারেনা, রাসুল [সা] এর মৃত্যুর মাধ্যমে আদর্শ অনুকরনের রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে, তাই ইসলামী আকিদা বিচার সাপেক্ষে ব্যক্তির কথা ন্যায়সঙ্গত হলে মানা যায়, রাসুল [স] এর মতো সবকিছুতেই তার অনুকরন করা যায়না। পাশাপাশি, উপরের আয়াতে যেখানে নবীকেই আল্লাহতাআলা কেবলার দিকে ফিরতে আদেশ করছেন, সেখানে অন্য কেহই কেবলা স্বরুপ হতে পারেননা, হওয়া অসম্ভব।

পৃষ্ঠা ১৫ ১৬তম লাইন, ... তখন হুজুর বলিলেন, হে ছেলে, তুমি আমার হুকুমে দাঁড়াও । তখনই ছেলেটি উঠিয়া দাঁড়াইল । তাহাকে জিজ্ঞাসা করা হইল কিরূপে জীবিত হইলে ? নাতি বলিল, আল্লাহর ওলী আমাকে জেন্দা করিয়াছেন । ...

আমরা দৃড়ভাবে এই শিরকী গল্প,কেচ্ছা,মনোভাবের এবং উদ্বুদ্ধকরনের জন্যে প্রতিবাদ করছি, কেননা এটা একটা খাটি শিরকী কথা, কোন মুসলিম এ জাতীয় ধ্যান ধারনার ত্রিসীমানায়ও যাবেনা।

আল্লাহপাক বলেন,“এবং সমান নয় জীবিত এবং মৃত। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা শ্রবন করান, তুমি শোনাতে পারবেনা যারা কবরে আছে তাদেরকে [সুরা ফাতির:২২]”
”আল্লাহ যদি তোমাকে কোনো ক্ষতি বা কষ্টে নিক্ষেপ করেন, তাহলে তিনি ব্যতিত এমন কেউ নেই যে তা দূর করতে পারে, আর তিনি যদি তোমার কোনো কল্যানের ইচ্ছা করেন তাহলে তার এই মেহেরবানীকে রদ করতে পারে এমন কেউ নেই [সুরা ইউনুস:১০৭]”

সমস্ত রুহের মালিক একমাত্র আল্লাহ। তিনি ছাড়া আর কেহই নাই যে কিনা জীবন মরনকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে, এমনকি উপরের আয়াত অনুযায়ী মৃতকে সামান্য কথা শোনাবারও ক্ষমতা মানুষের নেই আল্লাহ ব্যতীত। সৃষ্টিকর্তা আল্লঅহর সাথে এটা একটা রম বেয়াদবির নমুনা ছাড়া আর কিছু নয়।





চলবে.........

>> মোজাদ্দেদীয়া তরীকা:


Mozaddedia Torika
19 PAGE size : 637 kb

>> দেওবন্দী তরীকা:


Deobondi Akida
দেওবন্দী আকীদা
43 PAGE size : 3.19 mb

[Special Thanks to http://www.facebook.com/shahadat.hussain.37]

>> ভন্ডপীরদের ভিডিও:


 

:: Share on :





© বাংলাইন্টারনেট.কম | ২০০৮-২০১৬ | contact@banglainternet.com